এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি বারবার বলেছি, এই ব্যাপারে আমার প্রোফাইল দেখলেই বোঝা যাবে। এখন বর্ষাকাল চলছে, জেলার রাস্তা বিশাল বড়। জেলা পরিষদের অর্থ মানেই শুধু জেলা পরিষদ নয়—এতে পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েত এবং জেলা পরিষদ—ত্রিস্তরের সমন্বয় রয়েছে। তাই শুধু প্রশ্ন ছুঁড়ে কাউকে ঘিরে ধরা বিষয় নয়।”
তিনি আরও উদাহরণ টেনে বলেন, “যেমন একটি বাড়ির কর্তা আছেন, সেখানেও কারও মাটির বাড়ি, কারও টালি বা টাইলসের মেঝে, আবার কারও মার্বেলের মেঝে থাকে। তাহলে কি সবাই বাড়ির কর্তাকে প্রশ্ন করতে থাকে কেন মার্বেল নেই? তেমনই সরকারও অসংখ্য প্রকল্প করছে, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্প করেছেন। তবে প্রত্যেক মানুষ রাস্তা ব্যবহার করছেন, আর সেই দিকটাও দেখা জরুরি।”
সরকারকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষকারীদের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “শুধু প্রশ্ন করে সরকারকে বদনাম করা সমাধান নয়। প্রতিটি বিষয় ভেবে দেখতে হবে। আমার যতদূর বোঝা, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার মানুষের জন্য কাজ করছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সরকারকে সমর্থন করা আমাদের প্রয়োজন।”
সভাধিপতির বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি জেলার উন্নয়নকাজ নিয়ে বিরোধী প্রশ্নকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পগুলির উপর আস্থা রাখার বার্তা দিয়েছেন।