পরিদর্শনের কারণ ও প্রেক্ষিত
এই সফর ঘটেছে ভারতীয় অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের বিতর্কজনক মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যে—যেখানে তিনি দাবি করেন কচ্ছতেভুর অধিকার পুনরুদ্ধার প্রয়োজন ।
উত্তরে, প্রেসিডেন্ট দিসানায়াকে বলেন: “সরকার দেশের ছায়া, দ্বীপ ও সাগর সংরক্ষণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো বাইরের প্রভাব মেনে নেবে না,”—এই বক্তব্য দিয়ে তাঁর সফরকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে ।
সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও পরিদর্শনের বিস্তারিত
তিনি জাফনার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত মাইলিড্ডি ফিশারিজ হার্বার উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ উদ্বোধন শেষে দ্রুত নৌবাহিনীর গতি নৌকায় দ্বীপে পৌঁছান ।
সেখানে তিনি বলেছিলেন:
“কচ্ছতেভু মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ... আমাদের দ্বীপ, সাগর, আকাশ—সবই জনগণের জন্য, আমরা কোনো প্রভাবকে অগ্রাধিকার দেব না।”
ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
কচ্ছতেভু—a uninhabited island in the Palk Strait—1974 সালে ভারতই স্বীকার করেছিল যে এটি শ্রীলঙ্কার অধিকারভুক্ত ।
এ দ্বীপ প্রথাগতভাবে দুই দেশের তামিল মৎস্যজীবীদের ব্যবহৃত এলাকায় পড়ে; তবে 1970-এর দশকের চুক্তিতে এর ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল ।
বিজয়ের মন্তব্য এবং প্রেসিডেন্টের প্রতিক্রিয়া—সবই যুগপৎভাবে দ্বীপ সংক্রান্ত আলোচনাকে আবারো উত্তপ্ত করে তুলছে।
সারসংক্ষেপ:
তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ (সোমবার), সময় অনুযায়ী ২ সেপ্টেম্বর রিপোর্টে প্রকাশিত
কার্যক্রম: মাইলিড্ডি ফিশারিজ হার্বার প্রকল্প উদ্বোধন → অঘোষিত নৌ বীমানে কচ্ছতেভু পরিদর্শন
মন্তব্য: “কচ্ছতেভু বিপন্ন হলে দেশের ছায়া, দ্বীপ ও সাগর অনিরাপদ” — প্রতিশ্রুতি যে কোনো বহিরাগত প্রভাব প্রত্যাখ্যানের
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব: দ্বীপের সার্বভৌমত্ব নিয়ে জাতীয় পরিচয় ও মৎস্যজীবীদের দাবি দুটোই স্পর্শকাতর ও সঠিকভাবে প্রভাবিত বিষয়।