এর আগে আইনি নোটিস পাঠিয়েছিলেন মিঠুন। তবে জবাবে সন্তুষ্ট না হয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি। আদালতে মিঠুনের দাবি, এসব মন্তব্যের ফলে তাঁর সামাজিক মর্যাদা, পেশাগত সম্মান এবং কাজের ক্ষতি হয়েছে। নতুন সিনেমা ও বিজ্ঞাপনের প্রস্তাবও এতে ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ।
মিঠুন জানান, তিনি প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ, পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে "অসত্য অভিযোগ" কেবল অপমানজনক নয়, ক্ষতিকরও। তাই ক্ষতিপূরণ হিসেবে তিনি দাবি করেছেন ১০০ কোটি টাকা। পাশাপাশি আদালতকে অনুরোধ করেছেন, ভবিষ্যতে কুণালকে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত রাখতে। মামলার জন্য মিঠুন জমা দিয়েছেন ৫০ হাজার টাকা কোর্ট ফি, যা সর্বোচ্চ ফি হিসেবে ধরা হয়।
অন্যদিকে, মিঠুনের মামলায় বিন্দুমাত্র বিচলিত নন কুণাল ঘোষ। তাঁর জবাব—
"যাঁর মান থাকে, তিনি কি এত বার দলবদল করেন? তদন্তের ভয়েই অনেকে দলবদল করেন। কোর্টেই দেখা হবে।"
কুণাল আরও জানান, তিনি নিজেও মিঠুনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মিঠুন একাধিক চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জড়িত। বিষয়টি আদালতে তুলে ধরবেন তিনি এবং চান, সিবিআই এই বিষয়ে তদন্ত করুক।
একদিকে মিঠুনের দাবি, তাঁর সম্মানহানির বিচার চাই। অন্যদিকে কুণালের পাল্টা অভিযোগে রাজ্য রাজনীতি আরও একবার সরগরম।