শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তির সময় অর্থাৎ ২০৪৭ সালে ভারতকে এক সমৃদ্ধ, উন্নত ও বিশ্বনেতৃত্বের আসনে প্রতিষ্ঠা করা আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই পথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেবে দেশের ছাত্রছাত্রীরাই। তাঁদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, উদ্ভাবনী শক্তি এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও যোগ করেন, আত্মনির্ভর ভারত (Atmanirbhar Bharat)-এর স্বপ্ন কেবল সরকারের নীতি দ্বারা পূরণ হবে না, বরং যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে নেতৃত্ব নিতে। "শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য কেবল চাকরি পাওয়া নয়, বরং সমাজকে নতুন দিশা দেখানো।"
এই প্রেক্ষাপটে তিনি ছাত্রছাত্রীদের আহ্বান জানান গবেষণা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, শিল্পকলা এবং সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে। তাঁর মতে, প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী যদি নিজ নিজ ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠেন, তবে ভারতের উন্নতির গতি বহুগুণ বাড়বে।
শিক্ষামন্ত্রীর এই বার্তা ইতিমধ্যেই শিক্ষাক্ষেত্র এবং সামাজিক পরিসরে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের উদ্বুদ্ধকরণ আগামী দিনের শিক্ষানীতি ও শিক্ষার্থীদের মানসিকতাকে আরও শক্তিশালী করবে।