নানুরের দেবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কমলকৃষ্ণ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে শিক্ষক জীবনকৃষ্ণ সাহার স্কুলে উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
প্রধান শিক্ষকের দাবি, বিধায়ক হওয়ার আগে জীবনকৃষ্ণ সাহা নিয়মিত স্কুলে আসতেন এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতেন। কিন্তু ভোট জেতার পর তিনি সাধারণত সপ্তাহে দু’দিন বিদ্যালয়ে যেতেন, কখনও বা তিন দিন। গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি একেবারেই স্কুলে আসেননি।
কমলকৃষ্ণ ঘোষ আরও জানান, তিনি বিধায়ককে সতর্ক করেছিলেন যেন উপস্থিত না থাকলে হাজিরা খাতায় সই না করেন। সহকর্মী হিসেবে জীবনকৃষ্ণ সাহা সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখলেও রাজনীতির ব্যস্ততায় স্কুলে সময় দেওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
প্রধান শিক্ষক বলেন, “বিধায়ক হওয়ার আগে থেকেই তিনি চারচাকা গাড়ি করে স্কুলে আসতেন, যা তাঁর আর্থিক সচ্ছলতার পরিচয় বহন করে।” এই ঘটনার ফলে তাঁর চাকরি ও রাজনৈতিক জীবনে টানাপোড়েন বাড়ছে বলে অনেকের অভিমত।