এর আগে ইডি-র মামলায় জামিন পেয়েছিলেন পার্থবাবু। এবার সিবিআই-র মামলাতেও জামিন মঞ্জুর হলো। তবে এখনই মুক্তি মিলছে না তাঁর, কারণ প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত আরও কয়েকটি মামলায় তিনি এখনও বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে রয়েছেন।
শীর্ষ আদালত তাঁর জামিনের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে—
তদন্তকারী সংস্থার ডাকে তাঁকে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে।
নিজের পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে।
আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্য বা শহরের বাইরে যেতে পারবেন না।
সোমবারের শুনানিতে সিবিআই জানায়, তদন্তে রাজ্য সরকারের অনুমতির অভাবে জটিলতা তৈরি হয়েছে। আদালত সিবিআই-কে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জ গঠন করতে হবে এবং দু’মাসের মধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই মামলায় নিম্নপদস্থ কর্মী ও আধিকারিকদের অনেকেই ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত। তাই কাউকে অনির্দিষ্টকালের জন্য জেলে আটকে রাখা সংবিধানসম্মত নয়। একই যুক্তিতেই আগে ইডি-র মামলায় জামিন পেয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২২ জুলাই ইডি তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার নাকতলার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সিবিআই তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট করে। দীর্ঘ প্রায় তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলবন্দি রয়েছেন তিনি।