আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যাঁরা যোগ্য হিসেবে স্কুলে পড়াচ্ছেন, তাঁদের সবাইকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে। তবে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে—কোনও অযোগ্য প্রার্থীকে পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া যাবে না। আদালতের এই অবস্থান যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আশার আলো জ্বালল।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্ট গত এপ্রিলে পুরো প্যানেল বাতিল করে দেয়। প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর চাকরি এক ঝটকায় চলে যায়। এরপর নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সেই অনুযায়ী, ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার দিন ধার্য হয়েছিল। তবে রাজ্যের আবেদনের পর যোগ্য শিক্ষকদের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
এদিকে, কর্মরত শিক্ষকেরা জানান, প্রতিদিন পড়ানোর কারণে পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় পাচ্ছেন না। তাই তাঁরা পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান। আদালত সেই আর্জির ভিত্তিতেই রাজ্য সরকারকে পরীক্ষার দিন পিছোনোর স্বাধীনতা দিয়েছে।
এই নির্দেশে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের মনে নতুন করে আশা ও আত্মবিশ্বাস জাগল।