রবিবার পাটুওয়াস গ্রামে এক যৌথ পঞ্চায়েত বৈঠকে বসে তিন গ্রামের প্রতিনিধিরা। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে মিডিয়া ও প্রশাসনকে রীতিমতো দূরে রাখা হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শাহীদ ও তার পরিবারের সঙ্গে কোনো সামাজিক সম্পর্ক রাখা হবে না। নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী।
প্রসঙ্গত, ৩ জুলাই শাহীদ ও প্রীতি বিবাহ করেন। ৬ জুলাই বিষয়টি জানাজানি হতেই কিছু দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয় মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখিয়ে। পরে, দু’পক্ষই আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। তবুও, পঞ্চায়েত নেতারা জানিয়েছেন—এই বিবাহ গ্রামের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পরিপন্থী। তারা জানিয়েছেন, শাহীদকে গ্রামে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না এবং তার পরিবারের সঙ্গে সমাজিক সম্পর্ক পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন থাকবে।
এই বিষয়ে পঞ্চায়েতের সভাপতি কাপুর সিং ও আটগামা খাপের আহ্বায়ক ধর্মপাল মহারানা জানান, ছেলেমেয়ের মধ্যে বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছে এবং তা লিখিত আকারে প্রমাণ সহ পেশ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংহতি এবং সম্প্রীতির প্রশ্নও উঠে আসছে নানা মহলে।