🎙️ কর্ণাটকে নির্মাণ শ্রমিকের অমানবিক চক্রান্ত, পুলিশের ভূমিকায় আরও চাঞ্চল্য
কর্ণাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলার একটি গ্রামে ঘটে গেল এক রোমহর্ষক ঘটনা। একজন নির্মাণ শ্রমিক তার ৩৫ বছর বয়সী স্ত্রীকে টাকার লোভ দেখিয়ে অন্য পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করে।
প্রথমে স্ত্রী রাজি না হলেও, স্বামীর ক্রমাগত মানসিক চাপে অবশেষে তিনি বাধ্য হন। কিন্তু এখানেই শেষ নয়—স্বামী গোপনে সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। এরপর সেই ভিডিওকে অস্ত্র করে স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেল করা শুরু করে সে। গালিগালাজ, মারধর, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন—সবই চলতে থাকে দিনের পর দিন।
অবশেষে, নির্যাতিত নারী তার পরিচিত পুলিশ অফিসার চন্দ্র নায়কের কাছে সাহায্য চান। প্রথমে সেই পুলিশ অফিসার স্বামীর মোবাইল থেকে ভিডিওগুলো মুছে ফেলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনিও মহিলার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি—অন্য পুরুষদের সঙ্গেও মহিলাকে সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করার চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতির অবনতি হলে অবশেষে সেই মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পায়। জানা যায়, অভিযুক্ত স্বামী কোনও কাজ করতেন না এবং স্ত্রীর দেহব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের পরিকল্পনা করেছিল। অপরদিকে, পুলিশের চন্দ্র নায়কও একইভাবে মহিলাকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন।
বর্তমানে পুলিশ চন্দ্র নায়ক ও মহিলার স্বামীকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। গোটা এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
📌 এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সমাজকে আরও সচেতন ও প্রতিরোধমূলক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।