মহিলাদের সুরক্ষা অধিকার (ভারতীয় আইন অনুসারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক)

GramBarta Plus
By -
0
1. গৃহ নির্যাতন থেকে সুরক্ষা (Domestic Violence Act, 2005)
স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির কারও দ্বারা শারীরিক, মানসিক, আর্থিক বা যৌন নির্যাতন হলে অভিযোগ করা যায়।
মহিলারা আদালতের মাধ্যমে সুরক্ষা আদেশ, ভরণপোষণ, থাকার অধিকার চাইতে পারেন।

2. যৌন হয়রানি প্রতিরোধ (Workplace Harassment – POSH Act, 2013)
কর্মক্ষেত্রে কোনো মহিলা যদি যৌন হয়রানির শিকার হন (অশালীন কথা, ইঙ্গিত, স্পর্শ বা চাপ), তবে তিনি Internal Complaints Committee (ICC)-তে অভিযোগ করতে পারেন।
প্রতিটি অফিস/প্রতিষ্ঠানে এই কমিটি থাকা বাধ্যতামূলক।


3. ধর্ষণ ও যৌন অপরাধের বিরুদ্ধে আইন (IPC Section 375-376 ইত্যাদি)
ধর্ষণ, চেষ্টা, বা যেকোনো যৌন আক্রমণের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান আছে।
এ ক্ষেত্রে সরাসরি থানায় FIR করা যায়।

4. পণের দাবির বিরুদ্ধে আইন (Dowry Prohibition Act, 1961 & IPC 498A)
পণ নেওয়া বা দেওয়ার দাবিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ধরা হয়। স্ত্রী বা তার পরিবারের উপর পণের জন্য নির্যাতন হলে IPC 498A-তে মামলা করা যায়।


5. রাত্রিকালীন গ্রেপ্তার নিয়ে নিয়ম
সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে সকাল ৬টার আগে কোনো মহিলাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারে না (বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া, এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে)।

6. অভিযোগ দাখিলের অধিকার
মহিলা ভুক্তভোগী সরাসরি থানায় FIR করতে না পারলে ইমেল বা ডাকযোগে পুলিশের কাছে অভিযোগ পাঠাতে পারেন।

সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে পুলিশ বাধ্যতামূলকভাবে অভিযোগ গ্রহণ করবে।


7. আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার
আর্থিকভাবে দুর্বল মহিলারা Legal Services Authority থেকে বিনামূল্যে আইনজীবীর সহায়তা পেতে পারেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!