মূল ঘোষণা সমূহঃ
🔹 চন্দ্রযান-৪ মিশন (Chandrayaan-4)
চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের পর এবার নতুন মিশনে চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে ISRO।
🔹 শুক্রগ্রহে অভিযান (Venus Orbiter Mission)
অচিরেই শুক্রগ্রহের কক্ষপথে ভারতের প্রথম মহাকাশযান পাঠানো হবে। এই মিশনের মাধ্যমে গ্রহটির বায়ুমণ্ডল, পৃষ্ঠের গঠন ও আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করা হবে।
🔹 ভারতীয় মহাকাশ স্টেশন (BIS)
ভারত নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তৈরির পথে। ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যেই প্রথম মডিউল মহাকাশে পাঠানো হবে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ মহাকাশ স্টেশন তৈরি হবে।
🔹 নেক্সট-জেনারেশন লঞ্চার (Next Generation Launcher)
ভারতের উন্নত রকেট প্রযুক্তি—যা বড় মাপের উপগ্রহ উৎক্ষেপণ ও ভবিষ্যতের মানব মহাকাশ অভিযানের জন্য ব্যবহার হবে—সরকারিভাবে অনুমোদন পেয়েছে।
🔹 চাঁদে অবতরণ ও পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন (By 2040)
ভারত ২০৪০ সালের মধ্যে মানুষের চাঁদে অবতরণ এবং নিরাপদে পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য স্থির করেছে।
তাৎপর্য
এই ঘোষণাগুলি প্রমাণ করছে, ভারত মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। চন্দ্রযান থেকে শুরু করে শুক্র অভিযান, মহাকাশ স্টেশন ও চাঁদে মানুষ পাঠানো—সবই ভারতের মহাকাশ শক্তিকে বিশ্বমঞ্চে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে।
আগামী এক দশকে ভারত মহাকাশ গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলির কাতারে পৌঁছাবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।