পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই জওয়ানের নাম রাহুল, তিনি বর্তমানে আহমেদাবাদে কর্মরত ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে মনীষা নামে এক তরুণীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন তিনি। প্রথমে দাম্পত্য জীবন শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে শুরু হয় কলহ। কয়েকদিন আগে মনীষা স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং গঙ্গায় ঝাঁপ দেন। তার খোঁজ এখনো মেলেনি।
স্ত্রীর মৃত্যুর শোক এবং শ্বশুরবাড়ির অভিযোগের চাপে ভেঙে পড়েন রাহুল। শনিবার বিকেলে ট্যাক্সিতে চেপে বিজনৌর ব্যারেজের ১৭ নম্বর গেটে এসে নামেন তিনি। ছেলেকে বুকে জড়িয়ে রেখে জুতো ও মোবাইল নামিয়ে সোজা গঙ্গায় ঝাঁপ দেন। উপস্থিত ট্যাক্সিচালক ও স্থানীয়রা তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য।
পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল নৌকা নামিয়ে খোঁজ চালালেও শেষ খবর পর্যন্ত রাহুল ও তার শিশুসন্তানের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পারিবারিক অশান্তি থেকে শুরু করে মানসিক চাপে এমন মর্মান্তিক পরিণতি হৃদয়বিদারক করে তুলেছে স্থানীয় মানুষদেরও।