পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্বাতীর ধড় ঘরেই লুকিয়ে রেখেছিল অভিযুক্ত। শনিবার বিকেল সাড়ে চারটের সময় স্থানীয়রা একটি প্যাকেট দেখে সন্দেহ হলে পুলিশের কাছে খবর যায়। তদন্তে উঠে আসে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।
মহেন্দ্র এবং স্বাতীর বিয়ে হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। তবে এপ্রিল মাসেই গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগে স্বামী বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন স্বাতী। পুলিশ জানিয়েছে, ২২ আগস্ট স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাধে। ডাক্তার দেখানোর পর স্বাতী বাপের বাড়ি যেতে চাইলে রাজি হননি মহেন্দ্র। এরপরেই তিনি খুনের পরিকল্পনা করেন।
তদন্তে প্রকাশ, খুনের পর তিন দফায় প্লাস্টিকের প্যাকেটে করে দেহাংশ নদীতে ফেলতে যান মহেন্দ্র। পরে তিনি আত্মীয়দের কাছে জানান, স্বাতী নিখোঁজ। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শেষ পর্যন্ত ধৃত নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, স্বাতীর কিছু দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। ধৃতের বিরুদ্ধে খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট হাতে পেলে তদন্ত আরও এগোবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।