সূত্রের খবর, নিজের ভবিষ্যৎ ও কেরিয়ার গড়ার স্বপ্নেই বিয়ে করতে চাননি অর্চনা। এর আগে পাঁচটি বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। তবুও পরিবার এক পটোয়ারির সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করে দেয়। বাধ্য হয়েই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি।
অর্চনা পুলিশের কাছে জানান, তিনি একা একাই বিভিন্ন শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন—ইটাসরি, শুজলপুর, ইন্দোর, হায়দ্রাবাদ, যোধপুর, দিল্লি হয়ে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন কাঠমান্ডুতে। তার ভাই কাটনি জিআরপি থানায় নিখোঁজের অভিযোগ জানানোর পর পুলিশ নড়েচড়ে বসে। প্রায় ৫০০-রও বেশি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয় এবং তার কল রেকর্ড থেকে সূত্র পায় পুলিশ।
অবশেষে লখিমপুর খিরি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার সময় কিছুটা অনুতপ্ত দেখাচ্ছিল অর্চনাকে। নিজের বড় কাকার হাত শক্ত করে ধরে ছিলেন তিনি, কারও চোখের দিকে তাকাতে পারেননি।
👉 শেষ পর্যন্ত কোনো ফৌজদারি মামলা হয়নি তার বিরুদ্ধে। তবে এই ঘটনায় আবারও সামনে এল জোর করে বিয়ে চাপিয়ে দেওয়ার সামাজিক প্রবণতা ও তরুণ প্রজন্মের স্বাধীন সিদ্ধান্তের প্রশ্ন।