এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়েছে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে, যেখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর (@DrSJaishankar) এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই (#WangYi) মুখোমুখি বৈঠক করেন।
সম্পর্কের নতুন অধ্যায়
বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ভারত-চীন সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরেই সরাসরি ফ্লাইট সংযোগ বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ী, ছাত্রছাত্রী এবং পর্যটকরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এবার এই চুক্তি হলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।
ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হলে শুধু পর্যটন শিল্প নয়, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষা খাতও ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের সুযোগ বাড়বে, শিক্ষার্থীরা সহজেই যাতায়াত করতে পারবেন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও গতিশীল হবে।
আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব
ভারত ও চীন এশিয়ার দুটি বড় শক্তি। তাই এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক বার্তা দেবে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক রুটে নতুন গতি আসবে।
✈️ বলা যেতে পারে, এই পদক্ষেপ ভারত-চীন সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় সূচনা করল, যা দুই দেশের মানুষের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।