প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, “বেআইনি অনুপ্রবেশ শুধু সীমান্তবর্তী জেলার নিরাপত্তাকেই নয়, গোটা দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক ভারসাম্যকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।” তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে অভিযোগ করেন, ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির স্বার্থে রাজ্য সরকার এই সমস্যার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে না।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমাদের সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করছে। কেন্দ্রের তরফে যথেষ্ট সহায়তা না পাওয়ায় সমস্যাটি আরও জটিল হচ্ছে।”
বিশেষজ্ঞদের মত
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় বেআইনি অনুপ্রবেশ রুখতে আরও আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা, সেনা মোতায়েন ও প্রশাসনিক উদ্যোগ প্রয়োজন। একইসাথে মানবাধিকার রক্ষা করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া
সাধারণ মানুষ মনে করছেন, এই ইস্যুতে রাজনৈতিক দোষারোপ না করে কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথভাবে উদ্যোগ নিলে সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলার বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
👉 সারসংক্ষেপে বলা যায়, বেআইনি অনুপ্রবেশ ও নিরাপত্তা ইস্যু আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।