ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং আরও কিছু মুসলিম দেশ একত্রিত হয়ে নতুন মুসলিম ব্লক গঠন করেছে — ইরান–ইসরায়েল সংঘর্ষ চলাকালীন রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয় ।
ইরান জানায়, “historic act of Muslim unity” হিসেবে এটি আখ্যা দিয়েছে, এবার তারা অর্থনৈতিক, গোয়েন্দা ও সামরিক সমন্বয় বাড়াতে বদ্ধপরিকর ।
---
⚠️ পেছনের কারণ কী?
জুনে ইরানের ওপর ইসরায়েলের আক্রমণের পর রাশিয়া–চীন সামরিকভাবে এগিয়ে না আসায় তেহরান সে থেকে ক্ষুব্ধ । রাশিয়া–চীন কেবল “কূটনৈতিক সমালোচনা” করেছে, সরাসরি হস্তক্ষেপ করেনি ।
---
🤝 যুক্ত সদস্য ও কাঠামো
শুরুতে বলা হচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে, এবং ভবিষ্যতে এগুলো বর্ধিত হতে পারে — অর্থনৈতিক (তেল, বাণিজ্য), গোয়েন্দা ও সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ।
পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করেছে ইরানের পাশে দাঁড়াবে, OIC-তে ভূমিকা রাখবে ।
---
🌍 ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্ব
তুরস্কের নব-অটোমান ভূমিকায় পশ্চিম এশিয়ার মুসলিম নেতৃত্বে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনায় এই ব্লক সহায়ক হতে পারে ।
পাকিস্তান–ইরান সীমান্তে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ থাকায়, মিলিটারি সমন্বয় বড় ভূমিকা রাখছে ।
---
🔮 বিরোধ ও বিশ্ব প্রতিক্রিয়া
পশ্চিমা পর্যালোচকরা আশঙ্কা করছেন — “formalized anti‑Israel front” গঠিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিমধ্যেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আরও জটিল হবে ।
রাশিয়া–চীন এখনও মোজাবিদাতভাবে সমর্থন না করলেও, তারা রাশিয়া ও চীনের সাথে অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক ধরে রেখেছে ।
---
🧭 সারসংক্ষেপ
বিষয় সারাংশ
গঠিত ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান + সম্ভাব্য অন্যান্য দেশে একত্রিত
কারণ রাশিয়া ও চীনের সৈন্য বা সামরিক সাহায্য না পাওয়া ও পশ্চিম-ইসরায়েল যুদ্ধ
লক্ষ্য মুসলিম ঐক্য, সামরিক/গোয়েন্দা সমন্বয়, অর্থনৈতিক সহযোগিতা
চ্যালেঞ্জ পশ্চিমের প্রতিক্রিয়া, কার্যকর কৌশলগত বাস্তবায়ন
ভবিষ্যত OIC–বর্ধিত ও অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রের সংযোজন সম্ভব
---
এই নতুন মুসলিম ব্লকের গঠন মধ্যপ্রাচ্যের বিরোধের কাঠামোতে নতুন একটি চাল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ঐতিহাসিকভাবে প্রতিটি দেশ ও গোটা অঞ্চলের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।